• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভারতীয়দের চেয়ে আমেরিকার কুকুরের স্বাস্থ্য ভাল

Debjaniআর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ভারতে নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিক ওয়েন মে ভারতের জনগণ, দরিদ্রতা ও হিন্দুদের ধর্মবিশ্বাস নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। শুধু ওয়েন মে নয়, তার স্ত্রী আলিসিয়া মূলারও ধুয়ে দিয়েছেন ভারতীয়দের।

ওয়েন মে ভারতের মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করতেন। তার স্ত্রী আলিসিয়া মূলার মার্কিন দূতাবাসের লিয়াজোঁ অফিসার ছিলেন।

নিউ ইয়র্কে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবরাগাড়েকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে ভারত সরকার গত সপ্তাহে ওয়েন মেকে বহিস্কার করে।

ভারতে অবস্থানকালেই ফেসবুকে তারা এসব মন্তব্য করেন। অনলাইনে একটি ছবি পোস্ট করে তারা মন্তব্য করেন তাদের কুকুর ‘পাসো’ তাদের ভারতীয় মালির চেয়ে বড় এবং স্বাস্থ্যবান। এর কারণ, তাদের কুকুরটি ওই ভারতীয় মালির চেয়ে বেশি পুষ্টিকর খাবার পায়।

আলিসিয়া একটি আলোচনায় বলেন, ভারতীয়রা কচুঘেচু খায় অথচ তারা সহিংসতা ও যৌন অপরাধের হোতা। এই নিরামিষভোজীরাই ধর্ষণে জড়িত, (পশ্চিমা) মাংসভোজীরা নয়।

যখন একজন কৌতুক করে বলেন যে তিনি (মাংসভোজী হওয়া সত্ত্বেও) কখনো ধর্ষণ করেননি তখন তার জবাব ছিল, এটা শুধু ভারতীয়দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, পশ্চিমাদের ক্ষেত্রে নয়।

আরেকটি ঘটনায় একটি ভারতীয় গাভীর ছবি পোস্ট করে মূলার লিখেছেন, ‘ নির্বোধ গাভী’।

একজন তাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে আপনি ভারতীয়দের দেবীকে অপমাণ করেছেন। মূলার বলেন, এই প্রথম এটা করলাম না, এটাই শেষও নয়।

এছাড়া একটি সাক্ষাৎকারে ওয়েন মে ভারতের পানি ও বায়ু দূষণ, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা, রোগব্যাধির প্রকোপ ও জনসংখ্যার চাপের সমালোচনা করেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বলেছেন, এসব মন্তব্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

উল্লেখ্য, গৃহপরিচারিকার ভিসার আবেদনে তথ্য জালিয়াতি এবং তাকে নির্ধারিত মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেয়ার অভিযোগে গত ১২ ডিসেম্বর নিউ ইয়র্কে দেবযানীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় প্রকাশ্যে তার হাতে হাতকড়া পরানো হয় এবং ধরে নিয়ে গিয়ে বিবস্ত্র করে দেহ তল্লাশি করা হয়। এরপর নেশাখোরদের সঙ্গে তাকে কয়েদখানায় রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভারতজুড়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েন সৃষ্টি হয়।

দেবযানীকে আটক করে যেভাবে তল্লাশি করা হয়েছে তা অপমানজনক এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে ভারতের পক্ষ থেকে দাবিও জানানো হয়েছে। তবে মার্কিন সরকার তা নাকচ করে দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ